আনিসুল হক (জন্ম: ৪ মার্চ ১৯৬৫, নীলফামারী) একজন বাংলাদেশী কবি, লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তিনি বর্তমানে দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক এবং কিশোর আলোর সম্পাদক পদে কর্মরত। মুক্তিযুদ্ধকালীন সত্যঘটনা নিয়ে তার লেখা ‘মা’ উপন্যাসটি বিশেষ জনপ্রিয় এবং এটি ইংরেজি ও ওড়িয়া ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি রংপুর জিলা স্কুল থেকে ১৯৮১ সালে এসএসসি এবং রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ১৯৮৩ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন, এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেলওয়ে বিভাগে যোগদান করেন, কিন্তু অল্পকালের মধ্যে সাংবাদিকতায় চলে আসেন। তিনি ১৯৮৭ সালে সাপ্তাহিক দেশবন্ধু, ১৯৮৯ সালে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস, ১৯৯১ সালে সাপ্তাহিক খবরের কাগজ এবং ১৯৯৩–১৯৯৮ পর্যন্ত দৈনিক ভোরের কাগজের সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাহিত্যকর্মের মধ্যে গল্পে ‘যে স্বপ্ন দেখতে জানতো’, ‘আজকালকার ভালোবাসার গল্প’, ‘অসমাপ্ত চুম্বনের ১২ বছর পর’, কবিতায় ‘খোলা চিঠি সুন্দরের কাছে’, ‘আমি আছি আমার অনলে’, ‘জলরংপদ্য’, ‘তোমাকে ভাবনা করি’, উপন্যাসে ‘মা’, ‘বীর প্রতীকের খোঁজে’, ‘নিধুয়া পাথার’, ‘আয়েশামঙ্গল’, ‘ফাঁদ’, ‘খেয়া’, ‘ভালোবাসা আমি তোমার জন্য কাঁদছি’, নাটকে ‘নাল পিরান’, ‘করিমন বেওয়া’, ‘প্রত্যাবর্তন’, ‘সাঁকো’, ‘মেগা সিরিয়াল ৫১বর্তী’, ব্যঙ্গাত্মক রচনায় ‘গদ্যকার্টুন’, ‘কথাকার্টুন’, ‘গণতান্ত্রিক ফ্যান্টাসি’, ‘রাজা যায় রানি আসে’, ‘ছাগলতন্ত্র’, ‘অশ্বডিম্ব’, ‘হাসতে হাসতে খুন’ উল্লেখযোগ্য। তিনি সিনেমার জন্যও কাজ করেছেন, যেমন ‘ব্যাচেলর’, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘বৃত্তের বাইরে’ ও ‘স্বপ্নডানায়’। আনিসুল হক পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ টিভি নাট্যকার পুরস্কার, টেনাশিনাস পদক, খুলনা রাইটার্স ক্লাব পদক, কবি মোজাম্মেল হক ফাউন্ডেশন পুরস্কার, বাংলা একাডেমী পুরস্কার (২০১২), আনন্দ আলো শিশুসাহিত্য পুরস্কার (২০১৯) সহ বিভিন্ন সম্মাননা।
আনিসুল হক (জন্ম: ৪ মার্চ ১৯৬৫, নীলফামারী) একজন বাংলাদেশী কবি, লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তিনি বর্তমানে দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক এবং কিশোর আলোর সম্পাদক পদে কর্মরত। মুক্তিযুদ্ধকালীন সত্যঘটনা নিয়ে তার লেখা ‘মা’ উপন্যাসটি বিশেষ জনপ্রিয় এবং এটি ইংরেজি ও ওড়িয়া ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি রংপুর জিলা স্কুল থেকে ১৯৮১ সালে এসএসসি এবং রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ১৯৮৩ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন, এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেলওয়ে বিভাগে যোগদান করেন, কিন্তু অল্পকালের মধ্যে সাংবাদিকতায় চলে আসেন। তিনি ১৯৮৭ সালে সাপ্তাহিক দেশবন্ধু, ১৯৮৯ সালে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস, ১৯৯১ সালে সাপ্তাহিক খবরের কাগজ এবং ১৯৯৩–১৯৯৮ পর্যন্ত দৈনিক ভোরের কাগজের সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাহিত্যকর্মের মধ্যে গল্পে ‘যে স্বপ্ন দেখতে জানতো’, ‘আজকালকার ভালোবাসার গল্প’, ‘অসমাপ্ত চুম্বনের ১২ বছর পর’, কবিতায় ‘খোলা চিঠি সুন্দরের কাছে’, ‘আমি আছি আমার অনলে’, ‘জলরংপদ্য’, ‘তোমাকে ভাবনা করি’, উপন্যাসে ‘মা’, ‘বীর প্রতীকের খোঁজে’, ‘নিধুয়া পাথার’, ‘আয়েশামঙ্গল’, ‘ফাঁদ’, ‘খেয়া’, ‘ভালোবাসা আমি তোমার জন্য কাঁদছি’, নাটকে ‘নাল পিরান’, ‘করিমন বেওয়া’, ‘প্রত্যাবর্তন’, ‘সাঁকো’, ‘মেগা সিরিয়াল ৫১বর্তী’, ব্যঙ্গাত্মক রচনায় ‘গদ্যকার্টুন’, ‘কথাকার্টুন’, ‘গণতান্ত্রিক ফ্যান্টাসি’, ‘রাজা যায় রানি আসে’, ‘ছাগলতন্ত্র’, ‘অশ্বডিম্ব’, ‘হাসতে হাসতে খুন’ উল্লেখযোগ্য। তিনি সিনেমার জন্যও কাজ করেছেন, যেমন ‘ব্যাচেলর’, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘বৃত্তের বাইরে’ ও ‘স্বপ্নডানায়’। আনিসুল হক পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ টিভি নাট্যকার পুরস্কার, টেনাশিনাস পদক, খুলনা রাইটার্স ক্লাব পদক, কবি মোজাম্মেল হক ফাউন্ডেশন পুরস্কার, বাংলা একাডেমী পুরস্কার (২০১২), আনন্দ আলো শিশুসাহিত্য পুরস্কার (২০১৯) সহ বিভিন্ন সম্মাননা।